বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
রাজৈরে ২৪৫টি পূজা মন্ডপে চলছে শারদীয়া দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি শেষ দর্শনায় অসামাজিক কাজের দায়ে মহিলাসহ এক বিজিবি সদস্য আটক অনলাইনে ভাইবা নিতে উপাচার্যের নির্দেশনা প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল পেলো নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা নাগরপুরে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১ জনের মৃত্যু রাবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত নোয়াখালী সৎ মা-ছেলের দ্বন্দ্বে ঘরে আগুন, মায়ের মৃত্যু পলাশবাড়ীতে বেশী দামে আলু বিক্রি করায় দুই ব্যাবসায়ীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের রায়হানের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে তার বাসভবনে মৌলভীবাজর বোরহান উদ্দিন ইসলামী সোসাইটির নেতৃবৃন্দ ডিভাইস না থাকায় অনলাইন ক্লাসে উপস্থিত নেই কুবির অনেক শিক্ষার্থী ফেনীর দাগনভুঞাঁ উপজেলায় যুবলীগ সভাপতির উপর সন্ত্রাসী হামলা দুই কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের আটটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বর্ডার বিজিবি নোয়াখালী হাতিয়াতে নিখোঁজের ১২ দিন পর ফিরে এলো প্রবাসীর স্ত্রী গোয়ালন্দে অভিযানে আটক ৫ দালাল ও ৬ জেলের কারাদন্ড
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

সুন্দরবনের বণ্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে পিলপিলের ৪৪ ডিমে চারটি বাচ্চার জন্ম

আব্দুর রাজ্জাক রাজ, মোংলা
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী প্রজননকেন্দ্র করমজলের কুমির পিলপিলের ৪৪টি ডিমে মাত্র চারটি ছানা ফুটেছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নতুন ইনকিউবেটরে রাখা ১১টি ডিম থেকে মাত্র চারটি বাচ্চা জন্ম নেয়। ৪৪টি ডিম থেকে মাত্র চারটি কুমির ছানা ফোটায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বনকর্মীরা।

তবে প্রাণীসম্পদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স বৃদ্ধির কারণে করমজলের মা কুমির দুটির বাচ্চা উৎপাদনের ক্ষমতা অনেক কমে গেছে। এর আগে এ বছরের ১২ জুন দুপুরে প্রজনন কেন্দ্রের পুকুর পাড়ে নিজের বাসায় ৪৪টি ডিম দেয় পিলপিল। ডিমগুলোর মধ্যে ২১টি ডিম পিলপিলের নিজের বাসায়, ১২টি পুরাতন ইনকিউবেটরে এবং ১১টি নতুন ইনকিউবেটরে রেখে বাচ্চা ফোটানোর চেষ্টা করেন বনকর্মীরা। এর মধ্যে নতুন ইনকিউবেটরে রাখা ১১টি ডিমের মধ্যে ৪টি ডিমে বাচ্চা ফুটেছে।

এছাড়া ২৯ মে অন্য কুমির জুলিয়েট ৫২টি ডিম দিয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে ১৪টি ডিম জুলিয়েটের বাসায়, ২৬টি পুরাতন ইনকিউবেটরে এবং ১২টি নতুন ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছিল। কিন্তু জুলিয়েটের ৫২টি ডিমে কোন বাচ্চা ফোটেনি বলে জানিয়েছেন সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির।

তিনি জানান, করমজল দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র। এখানে প্রজননের জন্য দুটি মা কুমির রয়েছে। আমরা খুব যত্নের সাথে এই কুমিরের প্রজননের চেষ্টা করি। কুমির ডিম পাড়ার পর থেকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। কিন্তু জুলিয়েট এবং পিলপিল দুটি কুমিরেরই অনেক বয়স হয়েছে।

যার ফলে তাদের ডিমে ফার্টিলিটি হার খুবই কম। তিনি আরও বলেন, এখানে বর্তমানে পুরনো যে ইনকিউবেটর রয়েছে সেগুলো অনেক সেকেলে। নতুন যে ইনকিউবেটরটি তৈরি করা হয়েছে তার ধারণ ক্ষমতা মাত্র ২৪টি। এ ধরনের আরও দু একটি ইনকিউবেটর তৈরি করা গেলে সফলতা আসলেও আসতে পারে বলে দাবি করেন তিনি। বনবিভাগ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনে কুমিরের বংশবিস্তার বৃদ্ধিতে নানামূখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কুমিরের ডিম থেকে ছানা জন্মদানের জন্য রক্ষনাবেক্ষন ও যত্ন করে বনবিভাগের কর্মীরা। কুমিরগুলোর বয়স হওয়ার কারণে ছানা উৎপাদন ক্ষমতা কমে গেছে।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের শুরু হলে এখানে কুমিরে ডিম দেয় ২০০৫ সালে। এখন পর্যন্ত করমজলে বিভিন্ন সময় ২৯২টি কুমিরের ছানা জন্ম নিয়েছে । যার মধ্যে ১৯৫টি ছানা এখনও প্রজনন কেন্দ্রে রয়েছে। ৯৭টি কুমিরের ছানা সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী ও খালে অবমুক্ত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

বিজ্ঞাপন

cloudservicebd.com

বিজ্ঞাপন

ডেইলি সংবাদ প্রতিদিন মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২০
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102