বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
বিজ্ঞান মেলায় জেলার ২য় স্থান অর্জন করলো শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন এর উদ্যোগে করোনা সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে টি-শার্ট বিতরণ হযরত মোহাম্মদ (স.) এর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শনের প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে মানববন্ধন সুনামগঞ্জে সন্ত্রাসীদের ধাঁরালো অস্ত্রের আঘাতে একই পরিবারের ৮জন আহত,থানায় মামলা দায়ের বিশ্বনবী (সা.)-কে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের প্রতিবাদে রাজৈরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে চাঁদাবাজীর অভিযোগে গ্রেপ্তার-২ শ্রীবরদীতে গোয়ালঘর থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার রাজশাহীর ডিসির সাথে আরআরইউ প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাত পীর হাবিবুর রহমানের বাসায় ভাংচুরের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের মানববন্ধন ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের সকল শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবী আদায়ের লক্ষে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ১৫ হাজার পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার-১:জেলা পুলিশের সংবাদ সম্মেলন কারিগরি শিক্ষার্থীদের নিয়ে সংকট নিরসনে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ইসলাম নিয়ে কটুক্তিকারীদের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি নোবিপ্রবিতে নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে মামলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিবি পুলিশের হাতে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
মোট আক্রান্ত

৪০৩,০৭৯

সুস্থ

৩১৯,৭৩৩

মৃত্যু

৫,৮৬১

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১১৭,২৭০
  • চট্টগ্রাম ২০,৬৭২
  • বগুড়া ৭,৯৯১
  • কুমিল্লা ৭,৮৬১
  • সিলেট ৭,৪৪২
  • ফরিদপুর ৭,৩৭৭
  • নারায়ণগঞ্জ ৭,০৭০
  • খুলনা ৬,৫৮৯
  • গাজীপুর ৫,৬৪৪
  • নোয়াখালী ৫,০৭৪
  • কক্সবাজার ৫,০৩৩
  • যশোর ৪,০৬৯
  • ময়মনসিংহ ৩,৭৯৭
  • বরিশাল ৩,৭৪৮
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৬৫৭
  • দিনাজপুর ৩,৫৮৬
  • কুষ্টিয়া ৩,৪১৫
  • টাঙ্গাইল ৩,২৬২
  • রাজবাড়ী ৩,১৫৪
  • রংপুর ২,৯৮৮
  • কিশোরগঞ্জ ২,৯৮০
  • গোপালগঞ্জ ২,৬৫০
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৪৯২
  • নরসিংদী ২,৪২৩
  • সুনামগঞ্জ ২,৩৮৮
  • চাঁদপুর ২,৩৫৩
  • সিরাজগঞ্জ ২,২৪২
  • লক্ষ্মীপুর ২,১৯১
  • ঝিনাইদহ ২,০৪১
  • ফেনী ১,৯৩৬
  • হবিগঞ্জ ১,৮০২
  • মৌলভীবাজার ১,৭৭২
  • শরীয়তপুর ১,৭৬৯
  • জামালপুর ১,৬৪৪
  • মানিকগঞ্জ ১,৫৬৩
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৪৯৯
  • পটুয়াখালী ১,৪৯৫
  • মাদারীপুর ১,৪৯০
  • নড়াইল ১,৩৮৯
  • নওগাঁ ১,৩৪১
  • গাইবান্ধা ১,২১২
  • ঠাকুরগাঁও ১,২০৮
  • পাবনা ১,২০৩
  • নীলফামারী ১,১৪৫
  • জয়পুরহাট ১,১২৬
  • সাতক্ষীরা ১,১০৮
  • পিরোজপুর ১,১০৪
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • নাটোর ১,০৩৩
  • বাগেরহাট ১,০১১
  • মাগুরা ৯৪০
  • বরগুনা ৯২৮
  • রাঙ্গামাটি ৯২৬
  • কুড়িগ্রাম ৯২৫
  • লালমনিরহাট ৮৯৩
  • বান্দরবান ৮০৪
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৭৮২
  • ভোলা ৭৬৯
  • নেত্রকোণা ৭২৯
  • ঝালকাঠি ৭২৩
  • খাগড়াছড়ি ৭১০
  • পঞ্চগড় ৬৬২
  • মেহেরপুর ৬৪৮
  • শেরপুর ৪৯৬
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

শিশুর জীবন রক্ষায় সাঁতার

এম এস হিমেল
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। বর্ষায় খাল-বিল-দীঘি-নদনদী পানিতে ভরে যায়। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবী ক্রমশ চরমাভাবাপন্ন হয়ে উঠছে। ফলে বন্যা, খরা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। আমাদের প্লাবন ভূমির বিস্তৃতি ঘটেছে, পাশাপাশি প্রাকৃতিক জলাধার ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। বড় বড় শহরগুলোতে শিশু-কিশোরদের সাঁতার শেখার জায়গাও সীমিত হয়ে যাচ্ছে। বয়ষ্কদেরও অনেকের মৃত্যু ঘটছে সাঁতার না শেখার কারণে পানিতে ডুবে।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এ বছর পবিত্র ঈদুল আযহার আগে ও পরে পাঁচ দিনে পানিতে ডুবে বিভিন্ন বয়সের শতাধিক মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু রয়েছে। পানির প্রতি শিশুদের কৌতুহল সবসময়ই বেশি থাকে। বর্ষায় গ্রাম বাংলার খাল বিল যখন পানিতে থৈ থৈ করে, তখন শিশু কিশোররাও মেতে ওঠে জলকেলিতে। এই পানিই কখনও কখনও হয়ে ওঠে মরণ ফাঁদ। বাংলাদেশ হেলথ অ্যান্ড ইনজুরি সার্ভে বিএইচআইএস-এর সর্বশেষ ২০১৭ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রতি ৩০ মিনিটে একটি শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। প্রতিবছর এক থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রায় ১৬ হাজার শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়। এ সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। অন্য যেকোনো কারণে মৃত্যুর চেয়ে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তাই এ বিষয়ে সবার আগে দরকার সচেতনতা। প্রয়োজন বিভিন্ন মহলের কার্যকরী উদ্যোগ।

সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি’র) গবেষণায় দেখা যায়, বরিশাল বিভাগের ২৪টি উপজেলায় ৬৭ শতাংশ শিশুর মৃত্যুই ঘটে পানিতে ডুবে এবং তা বাড়ির ১০০ মিটারের মধ্যে। শিশুদের ক্ষেত্রে ৬৩ শতাংশ দুর্ঘটনাই ঘটে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে। এ সময়টায় গ্রামীণ নারীরা ব্যস্ত থাকেন গৃহস্থালী কাজে। কাজের সাথে সাথে বাচ্চা সামলানো অনেক কষ্টকর। একটু চোখের আড়াল হলেই ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ। ঝুঁকিপূর্ণ এ সময়ে শিশুদের মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে সিআইপিআরবি বরিশাল বিভাগে গড়ে তুলেছে তিন হাজারেরও বেশি সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। সারা দেশে সাত লাখেরও বেশি শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সংস্থাটি।

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু এক নীরব মহামারী। এই মৃত্যু ঠেকাতে শিশুকে সাঁতার শেখানোর কোনো বিকল্প নেই। সিআইপিআরবি ২০০৫ সাল থেকে শিশুদের সাঁতার শেখার প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। তাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুকে সাঁতার শেখানো, যেনো পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমে আসে। এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রায় ৪০ লাখ শিশুকে সাঁতার শিখিয়েছে। সাঁতার প্রশিক্ষকদের মতে, একটি শিশু যদি ৯০ সেকেন্ড সাঁতার কাটতে পারে বা পানিতে ভেসে থাকতে পারে তবে সে অনেকটাই আশংকা মুক্ত।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীবিধৌত এ জনপদের প্রতিটি বাড়িতে না হলেও বাড়ির আশপাশে পুকুর কিংবা ডোবা রয়েছে। আর খালবিল তো রয়েছেই। পা বাড়ালেই কোনো জলাধার খুঁজতে খুব বেশি বেগ পেতে হয় না। এর সাথে আছে প্রায় প্রতি বছরেই বন্যার আঘাত। বন্যার পানি নীচু এলাকায় জমে থাকে কয়েক সপ্তাহ, কখনো বা কয়েক মাস পর্যন্ত। পানির এই সহজলভ্যতা সাঁতার না জানা শিশুদের প্রতিবছর পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার অন্যতম কারণ।

পানির ওপর ভেসে ভেসে বিশেষ কৌশলে জলপথ অতিক্রম করার নাম সাঁতার। সাঁতারের উদ্দেশ্য হলো পানিতে না ডুবে ভেসে থাকা। পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় অভিভাবকদের অসচেতনতা এর জন্য দায়ী। মা যখন নানান কাজে ব্যস্ত থাকেন, এ সুযোগে শিশু আপন মনে পানিতে নামে আর তখনই ঘটে পানিতে পড়ে যাওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। তাই সাঁতার শেখা প্রতিটি মানুষের জীবন সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। সাঁতার শেখার উত্তম সময় হলো শিশুকাল। শহরের বা গ্রামের সকল বাবা-মায়ের প্রতিটি সন্তানকে সাঁতার শেখানো উচিত।

শিশুমৃত্যু বাড়ার জন্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, ভারী বর্ষণ, জলাবদ্ধতা, ঘরের কাছাকাছি নালা-ডোবায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং বন্যা দায়ী। তবে চারটি পদক্ষেপ নিলে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমানো সম্ভব। প্রথমত, ১০ মাস থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের প্রতি পরিবারের, বিশেষ করে মায়ের সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং চার বছর বয়স থেকে শিশুকে সাঁতার শেখানো। দ্বিতীয়ত, ডোবা ও পুকুরের চারপাশে বেড়া দেয়া। তৃতীয়ত, পানি থেকে তোলার পর পরই শিশুকে কার্যকর প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করতে সাহায্য করা; কারণ এ সময় শিশু অক্সিজেন স্বল্পতায় ভোগে। চতুর্থত, আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কাছে নেয়ার ব্যবস্থা করা।

একটি মৃত্যু সারাজীবনের কান্না। পানিতে ডুবে এই অস্বাভাবিক শিশু মৃত্যুরোধে সাঁতার শেখার বিষয়ে সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সাঁতার না জানা শিশুদের নজরে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের দায়িত্ব সবার আগে। গণমাধ্যমগুলোকে সাঁতার শেখার ওপর সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান প্রচার করতে হবে। শিশুর সাঁতার শেখানোর বিষয়ে সকলে দায়িত্বশীল হলে পানিতে ডুবে শিশুর অনাকাঙ্ক্ষিত এবং মর্মান্তিক মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

বিজ্ঞাপন

cloudservicebd.com

বিজ্ঞাপন

ডেইলি সংবাদ প্রতিদিন মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২০
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102