শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
মিরসরাইয়ে আবু ছালেক কোম্পানি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ঝিনাইদহ’ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশ’– ভ্রমণকন্যা সংগঠনের ৪র্থ বর্ষপূর্তি পালন আকন্দবাড়িয়ার এক নারী ফেন্সিডিলসহ ঝিনাইদহ ডিবি’র হাতে আটক সুনামগন্জ সীমান্তে ভারতীয় মদ ও নাসির বিড়ি আটক গাঁজাসহ দর্শনা থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার-২ জামালপুর মিনিস্ট্রিয়াল কর্মচারী ক্লাবে ৮ জুয়ারিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কর্মবিরতিতে বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন জবিকে সেনাবাহিনীর প্রধানের প্রজেক্টর হস্তান্তর জাককানইবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা আর নেই বোরহানউদ্দিনে ৯১ পিচ ইয়াবা সহ আটক-১ মাস্ক ব্যবহার না করায় শ্রীবরদীতে ১০ জনকে জরিমানা জামালপুরে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আফরোজা বেগম সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মিরসরাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে ৭ পরিবারের বসতঘর ভস্মীভূত, ১৪ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ভূমি,জলা ও বনে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এএলআরডির সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন
মোট আক্রান্ত

৪৫৭,৩৬৪

সুস্থ

৩৭১,৭১৫

মৃত্যু

৬,৫১৬

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৩৬,৮৩৩
  • চট্টগ্রাম ২৩,২২২
  • বগুড়া ৮,৪৪৮
  • কুমিল্লা ৮,২৯০
  • সিলেট ৮,০৭৫
  • ফরিদপুর ৭,৬৬১
  • নারায়ণগঞ্জ ৭,৫২৬
  • খুলনা ৬,৭৯১
  • গাজীপুর ৬,০২২
  • কক্সবাজার ৫,৩৬৮
  • নোয়াখালী ৫,২০৩
  • যশোর ৪,২৯৩
  • বরিশাল ৪,২০৯
  • ময়মনসিংহ ৩,৯৮৮
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৮৮৭
  • দিনাজপুর ৩,৮৬২
  • কুষ্টিয়া ৩,৫১৮
  • টাঙ্গাইল ৩,৪৩৩
  • রংপুর ৩,৩২৫
  • রাজবাড়ী ৩,২২১
  • কিশোরগঞ্জ ৩,১৮৩
  • গোপালগঞ্জ ২,৭৭২
  • নরসিংদী ২,৫৭০
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৫৫৬
  • চাঁদপুর ২,৪৯৯
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৩৬
  • সিরাজগঞ্জ ২,৩২৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২২০
  • ঝিনাইদহ ২,১৬২
  • ফেনী ২,০৩৭
  • হবিগঞ্জ ১,৮৭১
  • মৌলভীবাজার ১,৮১২
  • শরীয়তপুর ১,৮১০
  • জামালপুর ১,৭১১
  • মানিকগঞ্জ ১,৬০৯
  • পটুয়াখালী ১,৫৬৮
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৫৬০
  • মাদারীপুর ১,৫২৯
  • নড়াইল ১,৪৭১
  • নওগাঁ ১,৪০০
  • ঠাকুরগাঁও ১,৩১১
  • গাইবান্ধা ১,২৮৭
  • পাবনা ১,২৮২
  • নীলফামারী ১,১৮২
  • জয়পুরহাট ১,১৭৭
  • সাতক্ষীরা ১,১২৫
  • পিরোজপুর ১,১২২
  • নাটোর ১,১০২
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • বাগেরহাট ১,০১৪
  • মাগুরা ৯৮৯
  • রাঙ্গামাটি ৯৮৪
  • বরগুনা ৯৭৭
  • কুড়িগ্রাম ৯৫১
  • লালমনিরহাট ৯১১
  • ভোলা ৮৫৮
  • বান্দরবান ৮২৯
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮০১
  • নেত্রকোণা ৭৬৭
  • ঝালকাঠি ৭৫৮
  • খাগড়াছড়ি ৭২২
  • পঞ্চগড় ৭১০
  • মেহেরপুর ৬৯১
  • শেরপুর ৫১১
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

জেলহত্যা দিবস: ইতিহাসের লড়াকু বীরদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২০
৩’রা নভেম্বর দিনটি বাঙালি জাতি তথা বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় এই দিনটি। যেদিন নির্মমভাবে স্বৈরতন্ত্রের কষাঘাতে সমাপ্তি ঘটেছিল চার বীর সন্তানের জীবনের তবে সৃষ্টি হয়েছিল দৃঢ় আদর্শের দৃষান্তমূলক নজির। তাঁরা জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন হাসিমুখে কিন্তু তাঁরা বিচ্যুত হন নি পিতা মুজিবের অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক এবং শোষণ -মুক্ত সমাজ বির্নিমানের আদর্শ থেকে ৷
বাংলাদেশ সৃষ্টির সকল আন্দোলনেই যারা ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহযোগী। দীর্ঘ ২৪ বছরের শোষণের পর উনসত্তরের গণ- আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সত্তরের সাধারণ নির্বাচন এবং পরবর্তী সকল আন্দোলনে বাংলার মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ রেখে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য লড়ে গেছেন জাতীয় চার নেতা- শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম (উপ-রাষ্ট্রপতি, মুজিব নগর সরকার), শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ (প্রধানমন্ত্রী, মুজিবনগর সরকার), শহীদ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী (অর্থ মন্ত্রী, মুজিব নগর সরকার), শহীদ এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান (স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী, মুজিব নগর সরকার)। প্রকৃতপক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী তখন এই চার নেতাই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অনুযায়ী পরাধীন দেশের তমকা ঘোচাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখেন৷ বিশেষ করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। মুজিব নগর সরকারকে গতিশীল করা এবং বহিঃবিশ্বের অন্যান্য দূতাবাসগুলোর সঙ্গে কার্যকরী কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনে তাঁর ভূমিকা অবশ্যই অনেক উপরের দিকে।
১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর স্বাধীন দেশ হিসাবে আমরা আত্নপ্রকাশ করার পর বঙ্গবন্ধু যখন ফিরে আসেন তখন থেকেই এই মহান চার নেতা মুজিবের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসাবে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ বির্নিমানে নেতৃত্বের ঝলক দেখান। ১৯৭৫ এর ১৫ ই আগস্টের আঁধার রাত যখন ধ্বংস করে বাংলাদেশের এগিয়ে যাবার স্বপ্নকে তখন অনেকেই সুযোগ-সন্ধানী ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেও কেউ পটাতে পারেন নি তাঁদেরকে। জীবনের বিনিময়ে তাঁরা বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন আদর্শ কাকে কি বলে।
সেই রাতে কি ঘটেছিল?
জেলখানার সেই ঘটনা জানার আগে সংক্ষেপে জানা প্রয়োজন আরও কিছু তথ্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসে। এই সরকার পুরোপুরি সেনা সরকার ছিল না। অন্যদিকে ১৫ আগস্ট থেকে অভ্যুত্থানকারী রশিদ-ফারুক ও তার কিছু সহযোগী অবস্থান নেন বঙ্গভবনে। মোশতাক ও তার সরকারের ওপর ছিল তাদের যথেষ্ট প্রভাব। এ ব্যাপারে সেনাবাহিনীর একাংশ কর্মকর্তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয় অসন্তোষ। এই প্রেক্ষাপটে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে (ঘড়ির কাঁটা অনুযায়ী তখন ৩ নভেম্বর) মোশতাকের নেতৃত্বাধীন আধাসামরিক সরকারের বিরুদ্ধে এক অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ। এই অভ্যুত্থানকালেই মোশতাক-রশিদ-ফারুকের প্রেরিত ঘাতক দল জেলখানায় হত্যা করে জাতীয় চার নেতাকে।
১৫ আগস্টের পর সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও এম মনসুর আলীসহ আরও অনেক রাজনৈতিক নেতাকে আটক করে কেন্দ্রীয় কারাগারের রাখা হয়েছিল। নিউ জেলের পাশাপাশি তিনটি রুমে তাঁদের রাখা হয়। ১ নম্বর ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদসহ আটজন বন্দী। ২ নম্বর রুমে ছিলেন এ এইচ কামারুজ্জামানসহ ১৩ জন। ৩ নম্বর রুমে ছিলেন এম মনসুর আলীসহ ২৬ জন। সেই রাতে ১ নম্বর রুমে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদকে রেখে বাকি ছয়জন বন্দীকে অন্য রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। ২ নম্বর রুম থেকে এ এইচ কামারুজ্জামান ও ৩ নম্বর রুম থেকে এম মনসুর আলীকে ১ নম্বর রুমে নেওয়া হয়। এই রুমেই তাঁদের চারজনকে একসঙ্গে হত্যা করা হয়।
কলঙ্কজনক এই অধ্যায় বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের অবস্থানকে করে পদানত। পাশাপাশি, স্বপ্নের বাংলাদেশে বিকাশ ঘটে মুক্তিযুূ্দ্ধের চেতনা বিরোধী অপশক্তির। সোনালী শ্যামল ভূমি পরিণত হয় অনৈতিকতা আর ক্ষমতার লোভে সৃষ্ট নোংরা রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। আর জীবনের বিনিময়ে এই মহান নেতারা পরবর্তী প্রজন্মকে দিয়ে যান আদর্শের চূড়ান্ত নমুনা। যা চিরকাল সমুন্নত থাকবে বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায়। কলঙ্কজনক অধ্যায় যেমন করবে লজ্জিত তেমনী আদর্শের সুদৃঢ় বহিঃপ্রকাশের করবে সন্মানিত।
বিনম্র শ্রদ্ধা ইতিহাসের লড়াকু বীরদের প্রতি। যাদের সংগ্রামে গড়ে উঠেছে এই স্বাধীন বাংলাদেশ।
অনন্য প্রতীক রাউত 
শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ,
জগ্ননাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

বিজ্ঞাপন

cloudservicebd.com

বিজ্ঞাপন

ডেইলি সংবাদ প্রতিদিন মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২০
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102