সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
পলাশবাড়ী উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ’র আয়োজনে পবনাপুর ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল পেতে যাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর কবরে শ্রদ্ধা জানালেন দক্ষিণ জেলা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেবীগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের একদিন পর মাদ্রাসা ছাত্রর লাশ উদ্ধার ত্রিশালে জলাবদ্ধতা নিরসনে ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান সুনামগঞ্জে লাইসেন্সবিহীন রমরমা ব্যবসা,দেখার কেউ নেই নোবিপ্রবিতে নিয়োগ কেন্দ্রিক জটিলতা নিরসনের দাবি শিক্ষক,কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লালমনিরহাট অনলাইন নিউজের ২য় বর্ষপূতি মুঠোফোনে উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাজশাহীতে জোর করে বাড়ি দখলের অভিযোগ ফরিদপুরের সালথায় হাসের খামারে বন্যার হানা খামারীর ব্যাপক ক্ষতি নাগরপুরের দপ্তিয়র ইউনিয়ের আখ ক্ষেতে ১ অজ্ঞাত মহিলার অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ নাগরপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ১ যুবকের পানিতে ডুবে মৃত্যু
মোট আক্রান্ত

৩৪৮,৯১৬

সুস্থ

২৫৬,৫৬৫

মৃত্যু

৪,৯৩৯

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৯৩,২২৭
  • চট্টগ্রাম ১৮,১১৭
  • বগুড়া ৭,২৮৮
  • কুমিল্লা ৭,২৩৯
  • ফরিদপুর ৬,৯৩৫
  • নারায়ণগঞ্জ ৬,৬৩২
  • সিলেট ৬,৫৩৬
  • খুলনা ৬,১৮৩
  • গাজীপুর ৫,৩০৬
  • নোয়াখালী ৪,৮৬৫
  • কক্সবাজার ৪,৪৫৪
  • যশোর ৩,৭১১
  • ময়মনসিংহ ৩,৫৮৮
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৩৯৭
  • বরিশাল ৩,৩৭৩
  • দিনাজপুর ৩,২৪০
  • কুষ্টিয়া ৩,১২২
  • টাঙ্গাইল ২,৯৫৫
  • রাজবাড়ী ২,৯৪৫
  • কিশোরগঞ্জ ২,৬৮২
  • রংপুর ২,৬৮০
  • গোপালগঞ্জ ২,৫১৭
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৪১১
  • সুনামগঞ্জ ২,২৭৮
  • নরসিংদী ২,২৪৩
  • চাঁদপুর ২,২২৩
  • লক্ষ্মীপুর ২,০৮৫
  • সিরাজগঞ্জ ২,০৮৩
  • ঝিনাইদহ ১,৮৩৮
  • ফেনী ১,৭৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৬৯৭
  • মৌলভীবাজার ১,৬৫৫
  • শরীয়তপুর ১,৬৪৬
  • জামালপুর ১,৪৫৯
  • মাদারীপুর ১,৪২৮
  • মানিকগঞ্জ ১,৩৮৬
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৩৭৭
  • পটুয়াখালী ১,৩৭৩
  • নড়াইল ১,২৮৪
  • নওগাঁ ১,২৫১
  • গাইবান্ধা ১,১০৮
  • সাতক্ষীরা ১,০৮৯
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • পাবনা ১,০৬৬
  • পিরোজপুর ১,০৪৭
  • জয়পুরহাট ১,০৪২
  • ঠাকুরগাঁও ১,০৩২
  • নীলফামারী ৯৯৩
  • বাগেরহাট ৯৬৯
  • নাটোর ৯৪৮
  • বরগুনা ৮৯২
  • মাগুরা ৮৭৯
  • রাঙ্গামাটি ৮৭৯
  • কুড়িগ্রাম ৮৬৪
  • লালমনিরহাট ৮১৫
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৭৪৭
  • বান্দরবান ৭৪৬
  • নেত্রকোণা ৭০৮
  • ভোলা ৭০৬
  • ঝালকাঠি ৬৮৩
  • খাগড়াছড়ি ৬৬৩
  • মেহেরপুর ৫৮৯
  • পঞ্চগড় ৫৫৬
  • শেরপুর ৪৬১
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

নারীর প্রতি সহিংসতার শেষ কবে !

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০

 

বাংলাদেশে রোজকার ঘটনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নারী নির্যাতন। নারী নির্যাতন কতটা ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে তা প্রতিদিনের খবরের পাতা খুললেই চোখে পড়ে। এমন একটা দিন নেই যেখানে লেখা নেই নারী নির্যাতনের কথা। নারী নির্যাতন অত্যন্ত ভয়ংকর জঘন্য বিষয় । যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারী সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের রিপোর্ট মতে, বাংলাদেশে প্রতি ঘন্টায় একজন করে নারী নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নারী নির্যাতন বলতে নারীদের উপর শারীরিক, মানসিক,সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় যেকোন ধরনের নিপীড়নকে বোঝায়। নারীরা যে বর্তমানে নির্যাতিত হচ্ছে এমনটা নয়। নারী সহিংসতার ইতিহাস বহুকাল পূর্বের। অতীতে মানুষ ছিল অজ্ঞ,অসচেতন, ছিলনা শিক্ষার প্রসার,সমাজে ব্যাপকভাবে বিরাজ করতো কুসংস্কার।

কিন্তু বর্তমানে সমাজ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো জ্বলছে। এখন আর কেউ অজ্ঞ নয়,সচেতনতা বেড়েছে তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে তবুও নারী সহিংসতা কেন বন্ধ হচ্ছে না? দিন দিন আরো বেড়েই চলেছে এই সহিংসতার মাত্রা। কিন্তু কেন? প্রকৃতপক্ষে সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন হলেও নারীর প্রতি মানসিকতার পরিবর্তন আজও হয়নি। নারী সহিংসতার মতো এমন একটি মারাত্মক বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়নি আজও। যতই দিন বদলাচ্ছে আমরা ততই ভয়ংকর জাতিতে পরিণত হচ্ছি। যুগ পাল্টাচ্ছে,এসেছে আধুনিকতার যুগ,ঘরে ঘরে বাড়ছে শিক্ষিতের সংখ্যা। কিন্তু এত সাক্ষরতার হার বাড়লেও আমরা কতটা মানুষ হচ্ছি সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।বিষয়টা এমন হয়ে দাড়িয়েছে যে আমরা যত বেশি শিক্ষিত হচ্ছি সমানুপাতিক হারে ততই সহিংস জাতিতে পরিণত হচ্ছি।

দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অশিক্ষা আরো অনেক কারণে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে নারী। পৃথিবীজুড়ে সহিংসতার শিকার হয়ে অগণিত নারীর মৃত্যু হচ্ছে। কারণ তারা মুখ ফুটে নির্যাতনের কথা বলতে পারেনা। যদিওবা তারা সাহস করে বলতে চায়,নানা দিক থেকে তাদের দমিয়ে রাখা হয়।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়। সমাজের শিক্ষিত ও ক্ষমতাধর ব্যক্তি দ্বারাই নারী সহিংসতার ঘটনা বেশি। নির্যাতনকারীরা ক্ষমতার বলে অপরাধ করেও পার পেয়ে যায়।ক্ষমতাধর ব্যক্তি বলে নির্যাতিত নারীকে থাকতে হয় চাপের মুখে। সে বলতে পারেনা তার প্রতি অন্যায় অবিচারের কথা।

সময়ের সাথে সাথে প্রণীত হচ্ছে বিভিন্ন আইন,নীতিমালা, পদক্ষেপ। কিন্ত তবুও এই আলোকিত পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে নারী আজ বড় অসহায়। সময়ের সাথে নির্যাতনের ধরণ পরিবর্তন হচ্ছে,নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না। আবার সব নির্যাতনের সোচ্চার প্রতিবাদ দেখা বা শোনা যায় না। দেশের জনগণ কিছু ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হলেও তা এক সময় থেমে যায়,কিছুদিন পর নির্যাতিতার কথা সবাই ভুলে যাই, মিডিয়ার দৃষ্টিও চলে যায় অন্যদিকে। নির্যাতিত নারীকে একাই তার নীরব চিৎকার নিয়ে বিচারের আশায় দিন গুনতে হয়। নারী সহিংসতা যে শুধু ঘরের বাইরে হয় এমনটা নয়। অনেক সময় নিজ পরিবারেও দেখা যায়।এখনও অনেক পরিবারে নারীর মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনুপস্থিত। অধিকাংশ নারী পরিবারের জোরজবরদস্তিতে বাল্যবিবাহ মেনে নেয়। এক্ষেত্রে তার জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়।পারিবারিক ক্ষেত্রেই নারীর কাজকে ছোট করে দেখা হয়।শিশু থেকে বৃদ্ধা বয়সী নারী আজ কোথাও তারা নিরাপদ নয়।বাস,ট্রেন, গৃহ,স্কুল, কলেজ,অফিস কোন স্থানই নিরাপদ নয়।নারী কেন আজ অসহায়,কেন হচ্ছে এই নির্যাতন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে না তাই নারী সহিংসতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।
নারী সুরক্ষার বাধা হয়ে দাড়িয়েছে, নারীর প্রতি সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ,সমাজ নারীর মর্যাদা ও অধিকার ব্যাপারে অসচেতন এমনকি নারী নিজেও, সমাজ নারীর সঠিক অবস্থান নির্ণয়ে ব্যর্থ, সমাজ নারীকে শুধু নারী হিসেবেই দেখে মানুষ হিসেবে নয়, নিজেদের সম্মান মর্যাদার প্রতি নারীদেরই উদাসীনতা,নারীর মধ্যেই আত্মবিশ্বাসের অভাব,অশ্লীল সিনেমা ও পর্ণোগ্রাফির সহজলভ্যতা,নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা কাঠামো, নারী নির্যাতনকারীদের প্রতিরোধ আইনে উদাসীনতা, অন্যদিকে বিলম্বিত বিচার,অবিচারেরই নামান্তর।

নারীর মর্যাদা ও অধিকারের সচেতনতা আজ বড় প্রয়োজন। প্রয়োজন সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। প্রয়োজন নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব। প্রয়োজন প্রকৃত শিক্ষার। মানুষকে পরিপূর্ণ মানুষ হতে হলে শুধু শিক্ষিত নয়,প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। পরিবার থেকে শিশুসহ প্রত্যেককে ধর্মীয় নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের বুঝতে হবে নারী ছাড়া সমাজের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই নারী কারো মা- বোন-স্ত্রী-স্বজন। আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে বিশেষ করে বাবা-মা কে ।ছেলে এবং মেয়ের বন্ধু হতে হবে,একাকি দিনগুলোতে পাশে দাড়াতে হবে বাবা মায়েদের।
দেশে বিদ্যমান আইনের দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং দ্রুত বিচার করতে হবে।অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলে নারী সহিংসতা সম্পূর্ণ বন্ধ না হলেও বহুগুণে কমে আসবে। যখনই কোন অন্যায়ের বিচার হবে না বা বিচার বিলম্বিত হবে বা পাবে না কেউ সুষ্ঠু বিচার তখনই বঞ্চনা জমা হয়ে একটা বৃহৎ ক্ষোভের জন্ম নেয় মানুষের মনে। তখন সে চায় পাল্টা আঘাত করতে। আর সমাজের বিকৃত মানুষগুলো পেয়ে যায় সাহস। এভাবে সুষ্ঠু বিচার না হওয়া মানেই সমাজে আরো অপরাধীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া তাই শুধু আইন প্রনয়ণ নয় এর যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন।

নারী সহিংসতা নির্মূলে আরো একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ হলো বড় ধরনের আন্দোলন। যে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিবে নারী ও পুরুষ সম্মিলিতভাবে।ভেদমুক্ত সমাজের জন্য চাই সকলে মিলে একত্রে লড়াই। পরিপূর্ণ আন্দোলন পারে সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে।
আর নারীকে সর্বদা স্মরণ রাখতে হবে। নারী তুমি সৌন্দর্যের প্রতীক। তুমি কেন নগ্ন হবে? তোমার সৌন্দর্য্য শালীনতায়, নগ্নতায় নয়। নারীরা শালীন পোশাকে থাকলে। সমাজে বিশৃংখলা কমবে বহুগুণ।

সর্বোপরি নারীদের নিজ অধিকার আদায়ের জন্য নিজেদের কথা বলতে হবে। নির্যাতনকারী যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।একজন মানুষ হিসেবে নিজের অধিকার আদায়ে নিজেকেই সচেতন হতে হবে।
নিজেদের সম্মান মর্যাদার প্রতি নারীদের সচেতনতা এবং আত্মবিশ্বাসই নিয়ে যেতে পারে মুক্তির দ্বারপ্রান্তে ।

 

লেখক
শাকিলা খাতুন
শিক্ষার্থী,
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

বিজ্ঞাপন

cloudservicebd.com

বিজ্ঞাপন

ডেইলি সংবাদ প্রতিদিন মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২০
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102